পাশাপাশি হৃদরোগীদের জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে আনা ও প্রয়োজনে ঢাকায় পাঠানোর জন্য একটি কার্ডিয়াক অ্যাম্বুলেন্স ক্রয়েরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এতে রোগী ও স্বজনদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে নাইট কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের বার্ষিক সাধারণ সভায় এসব তথ্য তুলে ধরেন বক্তারা।
বক্তারা আরও বলেন, পূর্ণাঙ্গ হৃদরোগ হাসপাতাল হিসেবে যাত্রা শুরুর পর থেকে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে ৬৩৭ জনের এনজিওগ্রাম, ২০১ জনের এনজিওপ্লাস্টি, ১৩ জনের ভালভুলোপ্লাস্টি, ১০৩ জনের স্থায়ী ও অস্থায়ী পেসমেকার স্থাপন, দুই জনের সিআরটিপি, এক জনের পিবা ও ছয় জনের পেরিকার্ডিও সেন্থেসিস সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। এতে রোগীরা সুবিধা পেয়েছেন—ঢাকা যাওয়ার ঝামেলামুক্ত সেবা ও চিকিৎসা ব্যয়ে সাশ্রয় হয়েছে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন হার্ট ফাউন্ডেশনের সভাপতি আব্দুল মান্নান। বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মিজানুর রহমান খোকন এবং আর্থিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন কোষাধ্যক্ষ মনোয়ার হোসেন সেলিম।
ফাউন্ডেশনের নির্বাহী সদস্য এনামুল হকের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি ও বার্ষিক সাধারণ সভার আহ্বায়ক হাসেন আলী।
চিকিৎসা সেবার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন চিফ কনসালটেন্ট ও ডিরেক্টর প্রফেসর ডা. মো. রইস উদ্দিন।
এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও হার্ট ফাউন্ডেশনের আজীবন সদস্য মিজানুর রহমান মিনু, সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও হার্ট ফাউন্ডেশনের আজীবন সদস্য মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, হাইকোর্টের সাবেক বিচারপতি এমদাদুল হক আজাদ, হার্ট ফাউন্ডেশনের যুগ্ম সম্পাদক লিয়াকত আলীসহ ফাউন্ডেশনের সকল নির্বাহী সদস্যবৃন্দ।
বক্তারা জানান, নতুন শিশু হৃদরোগ ইউনিট চালু হলে রাজশাহী ও আশপাশের জেলার অসংখ্য শিশু রোগী দ্রুত ও মানসম্মত চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ পাবে। আর কার্ডিয়াক অ্যাম্বুলেন্স যুক্ত হলে জরুরি রোগীদের সেবা অনেক বেশি কার্যকর ও সময়োপযোগী হবে।