1. admin@dainikrajshahirkhobor.com : admin :
       
November 30, 2025, 11:38 pm
শিরোনামঃ
পরিকল্পিত অপহরণ থেকে ‘চোর’ নাটক: রাজশাহীতে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ ডিএনসির তল্লাশিতে ধরা পড়ল ননদ-ভাবীর অভিনব পাচার কৌশল হারিয়ে যাওয়া ৬০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে মালিককে হস্তান্তর বিএসটিআইয়ের লাইসেন্স ছাড়াই মানচিহ্ন ব্যবহার, ফ্লাওয়ার মিলকে জরিমানা লালপুরে জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ ও প্রদর্শনী মেলা অনুষ্ঠিত ভোলাহাটে বিএনপি’র চূড়ান্ত মনোনয়ন প্রত্যাশী আশরাফের পক্ষে লিফলেট বিতরণ শ্রেষ্ঠ সন্তান যুব ও প্রবীনদের সম্মাননা প্রদান রাজশাহী মহানগরীর ১৫ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আল-মামুনের ইন্তেকাল উৎপাদন ব্যয় কমাতে গোদাগাড়ীতে বেড প্লান্টারে গম চাষের উদ্বোধন শিক্ষার্থী-শিক্ষক-সুশীল সমাজের অংশগ্রহণে ডিএনসির মাদকবিরোধী সেমিনার
ব্রেকিং নিউজঃ
পরিকল্পিত অপহরণ থেকে ‘চোর’ নাটক: রাজশাহীতে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ ডিএনসির তল্লাশিতে ধরা পড়ল ননদ-ভাবীর অভিনব পাচার কৌশল হারিয়ে যাওয়া ৬০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে মালিককে হস্তান্তর বিএসটিআইয়ের লাইসেন্স ছাড়াই মানচিহ্ন ব্যবহার, ফ্লাওয়ার মিলকে জরিমানা লালপুরে জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ ও প্রদর্শনী মেলা অনুষ্ঠিত ভোলাহাটে বিএনপি’র চূড়ান্ত মনোনয়ন প্রত্যাশী আশরাফের পক্ষে লিফলেট বিতরণ শ্রেষ্ঠ সন্তান যুব ও প্রবীনদের সম্মাননা প্রদান রাজশাহী মহানগরীর ১৫ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আল-মামুনের ইন্তেকাল উৎপাদন ব্যয় কমাতে গোদাগাড়ীতে বেড প্লান্টারে গম চাষের উদ্বোধন শিক্ষার্থী-শিক্ষক-সুশীল সমাজের অংশগ্রহণে ডিএনসির মাদকবিরোধী সেমিনার

আবহাওয়ার পরিবর্তনে রাজশাহীতে সর্দি-জ্বরের দাপট, ভরে উঠছে হাসপাতাল

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১৩, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজশাহীতে বেড়েছে সর্দি-জ্বরের প্রকোপ। পরিস্থিতি এমন যে অনেকটা ঘওে ঘরেই সর্দি-জ্বরে আক্রান্ত রোগীদের প্রাদুভার্ব দেখা দিয়েছে। আক্রান্তদের অধিকাংশই শিশু। শিশুরা ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণে স্কুলেও উপস্থিতি কমছে। এর পরে রয়েছেন বয়স্করা। গড়ে প্রতিদিন রাজশাহী হাসপাতালে ৬০০-৭০০ রোগী আসছে সর্দি-জ্বরে আক্রান্ত হয়ে। বিশেষ করে হাসপাতালের বর্হিবিভাগে ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীরা আসছে বেশি। যাদের মধ্যে শিশুদের সংখ্যা বেশি। এ হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ৩০০-৪০০ শিশুদের জ¦র-স্বর্দির সিরাপ বিতরণ করতে হচ্ছে বর্হিবিভাগের ডিসপেনসারি থেকে।

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, এ হাসাপাতালে গতকাল বুধবার যেসব রোগী বর্হিবিভাগে চিকিৎসা নিতে এসেছেন, তাদের মধ্যে শিশুদের সংখ্যায় বেশি। যাদের অধিকাংশই আবার জ¦র-স্বর্দিসহ ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত। তাদের মধ্যে ৫-১২ বছরের শিশুদের সংখ্যা বেশি।

হাসপাতালের বর্হিবিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা রাজশাহী নগরী মহিষবাথান এলাকার শিশু আলমাস আলীর মা বলছিলেন, তিন-চার দিন আলমাস জ¦রে ভূগছে। জ¦রের কারণে স্কুলেও যেতে পারেনি। পাড়ার ডিসপেনসারি থেকে কয়েক দফা ওষুধ কিনে নিয়ে যাইয়ে খাওয়ায়ছি। তাতেও লাভ হয়নি। জ¦ও যাচ্ছেই না। বাধ্য হয়ে আজকে হাসপাতালের চিকিৎসককে দেখাতে নিয়ে এসেছি। কয়েকদিন আগে ছো মেয়েটিরও জ¦র এসেছিল। সে ভালো হতে না হতেই ছেলেটি আক্রান্ত হয়েছে।’

রাজশাহীর উপশহর এলাকার আরেক রোগীল স্বজন নুজহাত জাহান বলেন, ‘আমার দুই শিশুই জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে। দেবরের এক শিশু আক্রান্ত হয়েছে। একজন ভালো হলে আরেকজনের হচ্ছে। সাথে সর্দি কাশিও আছে।’

পুঠিয়ার ভাল্লুকগাছী এলাকার ৬৫ বছর বয়স্ক রোগী ইশমতআরার স্বজন আকবর হোসেন বলেন, ‘গ্রামে প্রায় ১৫ দিন আগ থেকেই শীত পড়তে শুরু করেছে। ঠান্ডা পানিতে গোসল করার কারণে মায়ের সর্দি-জ্বর আর কাশি হয়েছে। হঠাৎ করে শীত শুরু হওয়ার কারণেই মনে হয় এটি হয়েছে।’

হাসাপাতালের বর্হিবিভাগ সূত্র মতে, এ হাসপাতালে গড়ে মেডিসিন বিভাগেই ১৩-১৫ শ রোগী আসে প্রতিদিন চিকিৎসা নিতে। তাদের মধ্যে এখন ৬০০-৭০০ রোগী আসছে ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে।

এ হাসপাতালের বর্হিবিভাগের ডিসপেনসারির ইনচার্জ রফিকুল ইসলাম জানান, ‘গড়ে প্রতিদিন ৩০০-৪০০ শিশুদের জ¦রের সিরাপ বিতরণ করা হচ্ছে। শীতের কারণে মনে হয় সর্দি-জ্বর বেড়েছে।’

রাজশাহীর দরিখরবোনা সরকারি প্রথামিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষিক জানান, তাদের স্কুলে প্রায় দুইশ শিক্ষার্থী আছে। এর মধ্যে গড়ে প্রতিদিন ১০-১৫ জন করে স্কুলে আসছে না সর্দি-জ্বর ও কাশিতে আক্রান্ত হওয়ার কারণে। গতকাল বুধবারও শুধুমাত্র চতুর্থ শ্রেণিরই তিনজন শিক্ষার্থী জ¦রের কারণে স্কুলে যেতে পারেনি। তারা হলো-জুনায়েদ হাসান রিহান, আরিজ শেখ আকাশ ও নসরাত জাহান।

রাজশাহীর উপশহর স্যাটেলাইট সরকারি প্রথামিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘প্রতিদিনই ১৫-২০ জন করে শিক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকছে জ¦র-স্বর্দির কারণে। হঠাৎ করে ঠান্ডা শুরু হওয়ার কারণে এমনটা হচ্ছে।’

রাজশাহী হাসপাতালের চিকিৎসক মেডিসিন বিশেষজ্ঞ মাহবুবুল আলম বলেন, ‘আবহাওয়া পরিবর্তনজনিত কারণে সর্দি-জ্বরের প্রকোপ বেড়েছে। কয়েকদিন গেলে আবার এটি ঠিক হয়ে যাবে। যেসব রোগী চিকিৎসা নিতে আসছে, তাদের মধ্যে বেশিরভাগই শীতজনিত রোগে আক্রান্ত।’

 

Please Share This Post in Your Social Media

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2024 Zahidit News
Theme Customized By bdit.com.bd